DO YOU KNOW?

Making money from stock market is very easy.you can earn some good profit from this market,
If you remember some line-you never lose one taka in this business,
1.try to invest fundamentally strong share.
2.listen rumour -but never blindly follow it.
3.always invest your additional money-never invest your daily maintenance money for quick profit.
4.always invest your money atleast targeting 3 month-never invest for one week,

if you follow 4 rules-you never lose money and will make profit from stock market and don't need any advise

Showing posts with label Asia stock market. Show all posts
Showing posts with label Asia stock market. Show all posts

Lafarge gets support from Nongtrai village

The traditional council of the village where the limestone mining project of Lafarge is located in Meghalaya, India has spoken in favour of the French cement giant. They presented their take on the issue stating that the cease of mining operation will affect the local population in every possible way.
In a court affidavit filed at the court on October 5, 2010, the head of Nongtrai Village Durbar B. L. Lyngdoh said that the arrival of Lafarge in their area has opened up employment opportunities along with many other benefits and assistance. The affidavit countered the claims of Shella Action Committee, the organization whose primal objection spawned the whole affair. A clearance from the Ministry of Environment and Forest has been sought by the Supreme Court taking into account the charges of Shella Action Committee that limestone was being mined in the forest areas and the environmental clearance was obtained fraudulently. A final verdict from the court, which had halted the mining operations of Lafarge from February last, is awaited.
The counter affidavit stated, "The project has not resulted in diversion of agricultural land. In fact no cultivations are possible in the mining area due to the rocky nature of the soil. The Shella Action Committee does not represent the local people. They are not even residents of the area." Lyngdoh, the head of the village council said that the land where mining operations belonged to Nongtrai Village Durbar. He said that the application filed before the Supreme Court opposing the Lafarge operations were filed by vested groups which comprises of exporters whose business interests have been affected by the Lafarge project.
The affidavit also states that the opposing party consists of limestone exporters who used to export limestone to Bangladesh without sharing any benefits with the locals. On the other hand, Lafarge pays a royalty fee which resulted a total amount of 3.15 crore Indian Rupee for the whole village and 1.4 lakh for each household, till December 2009. The larger social benefits of the project are already evident from the fact that various residents of the area who had migrated to other places to earn livelihood, are returning to the area in view of the fact that the industrial project of this magnitude promises employment prospects for the locals and overall economical development of the area. The income which is being generated for the community from the lease of the limestone is being invested in agricultural expansion. Apart from the financial benefits that have accrued to the villagers and community, Lafarge has undertaken various community services in the field of health, education and infrastructure development, says a press release.
Lafarge Umium was mining the quarry area spread over 100 hectares near the Indo-Bangladesh border for supply of raw material to Lafarge Surma Cement project at Chhatak in Sunamganj, Bangladesh. Based on the case filed by the Shella Action Committee, the Supreme Court of India had delivered a stay order on the mining operation of Lafarge on February 5, 2010. The factory has been operating since 2006 with an annual production capacity of 2 million ton.

Read more...

Asian stocks up after Fed's minutes

TOKYO, Oct 13 (AP): Asian stock markets rose Wednesday as the minutes from the Federal Reserve's latest meeting signaled that the US central bank will soon act to boost growth.

Investors also took heart from Intel Corp's better-than-expected earnings results, which came after the closing bell Tuesday.

Intel said its net income leaped 59 per cent and sales rose 18 per cent, both beating analyst expectations.

Japan's benchmark Nikkei 225 stock index gained 80.83 points, or 0.9 per cent, to 9,469.47 in the morning session.

South Korea's Kospi increased 0.2 per cent to 1,872.77. Australia's S&P/ASX 200 was up 0.4 per cent at 4,636.6.

Elsewhere, Hong Kong's Hang Seng index added 0.4 per cent to 23,214.99. The Shanghai Composite Index dropped 0.3 per cent to 2,832.879. Markets in Malaysia, New Zealand, Singapore and Taiwan all advanced.

Sentiment was upbeat across Asia after the minutes from the Fed's meeting on Sept 21 suggested the US central bank is almost certain to take steps to shore up a recovery in the world's No 1 economy at its next meeting in early November.

Investors carefully read the Fed's minutes released Tuesday for clues on whether the US central bank will act to stimulate the economy.

The minutes showed the Fed was concerned that the economy was growing slower than it had expected. Fed officials said in the minutes that they were prepared to provide additional relief "before long."

Traders took that as a strong sign that the Fed is ready to act.

Global stocks have rallied in recent weeks as investors bet the Fed will enact the bond-buying programme in early November. Buying bonds would drive interest rates and yields even lower, which makes stocks a more attractive investment.

In New York Tuesday, the Dow Jones industrial average rose 10.06 points, or 0.09 per cent, to 11,020.40.

In currencies, the dollar rose to 81.85 yen from 81.78 yen in New York late Tuesday. The US currency hit a 15-year-low of 81.37 yen Monday. The euro rose to $1.3973 from $1.3849 at midday Tuesday in New York.

Benchmark crude for November delivery fell 54 cents to settle at $81.67 a barrel Tuesday on the New York Mercantile Exchange.

Read more...

তালিকাভুক্তির শর্তে আবদ্ধ : ৪৩ কম্পানি পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেই

তালিকাভুক্তির শর্তে আবদ্ধ ৪৩ কম্পানিকে পুঁজিবাজারে আনার উদ্যোগ নেই। পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকার ওপরে হওয়ায় পুঁজিবাজারে আসার বাধ্যবাধকতার মধ্যে পড়েছে এ ৪৩টি কম্পানি। তবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নজরদারির অভাবে এসব কম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না।
কমিশনের আইন অনুযায়ী পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি হলে বাজারে আসা বাধ্যতামূলক। না এলে কম্পানিকে প্রতিবছর এক লাখ টাকা করে জরিমানা গুনতে হবে। কিন্তু এ আইন অমান্য করে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার কোনো চেষ্টাই করছে না তালিকাভুক্তির শর্তে আবদ্ধ ৪৩ কম্পানি। কিন্তু এসব কম্পানিকে এক টাকাও জরিমানা করতে পারেনি এসইসি। এ প্রসঙ্গে এসইসির সদস্য ইয়াসীন আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, লোকবলের অভাবে এসইসি ৫০ কোটি টাকার ওপরে মূলধন থাকা কম্পানির বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না।
বাজার-সংশ্লিষ্টদের অভিমত, চরম শেয়ার সংকটের কারণে বাজার যখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, তখন শুধু সরকারি কম্পানির শেয়ার আনার কথা না বলে বেসরকারি কম্পানিগুলোর শেয়ার আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হওয়া জরুরি। এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট শাকিল রিজভী গত ৯ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কম্পানিকে স্থায়ীভাবে টিকে থাকতে হলে তাদের নিজেদের স্বার্থেই পুঁজিবাজারে আসা উচিত। যেসব প্রাইভেট কম্পানির পরিশোধিত মূলধন বেশি সে কম্পানিগুলোকে বাজারে নিয়ে আসার জন্য এসইসির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
এসইসির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৪০ কোটি টাকায় উন্নীত হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তাকে পাবলিক লিমিটেড কম্পানিতে রূপান্তর করতে হবে। আর পাবলিক লিমিটেড কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটি টাকার ওপরে হলে পুঁজিবাজারে আসা বাধ্যতামূলক। তা না হলে ওই কম্পানির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কম্পানি উৎপাদনে থাকলে এক বছর ও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় থাকলে তিন বছরের মধ্যে পুঁজিবাজারে আসতে হবে। অন্যথায় প্রতিবছর কমপক্ষে এক লাখ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
এদিকে গত এক বছরে এসইসি প্রায় ৪০টি কম্পানিকে ৫০ কোটি টাকার ওপরে মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে। এর মধ্যে গত ছয় মাসেই ৫০ কোটি টাকার ওপরে অনুমোদন পেয়েছে ১১ কম্পানি। সম্প্রতি এসইসি এক কোটি টাকার ওপরে মূলধনী ১৩৪ প্রাইভেট কম্পানির একটি তালিকা তৈরি করেছে। এসইসির ওয়েবসাইটে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ তালিকায় ৪৩টি কম্পানির পরিশোধিত মূলধন ৫০ কোটির ওপরে রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি কম্পানি ইতিমধ্যে পুঁজিবাজারে আসার অনুমোদন পেয়েছে।
এসইসি থেকে মূলধন বাড়ানোর অনুমোদন নেওয়া ৫০ কোটির ওপরে থাকা কম্পানিগুলো হলো_হোটেল ইন্টারন্যাশনাল (মূলধন ৫৯৩ কোটি ৩৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা), দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন লিমিটেড (১১৬ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা), ইউনাইটেড হসপিটাল (১৭৫ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার টাকা), টিএম ইন্টারন্যাশনালের (৯৯১ কোটি), কর্ণফুলী ফার্টিলাইজারের (৪৬০ কোটি), ইমপেরিয়াল হসপিটাল (৯৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা), ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কম্পানি (৬৬ কোটি টাকা), আমেরিকান সুপার স্পেসিয়ালিটি হসপিটাল (১০৮ কোটি টাকা), ফোকাস মাল্টিমিডিয়া (৭০ কোটি), সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ (৬৯ কোটি ২০ লাখ), এসটিএস হোল্ডিংস (১৫০ কোটি ৯৪ লাখ), এমআই সিমেন্ট (৭০ কোটি টাকা), সোনালী ব্যাংক (৯০০ কোটি), জনতা ব্যাংক (৩৮৪ কোটি ৩৯ লাখ টাকা), অগ্রণী ব্যাংক (২৪৮ কোটি ৪২ লাখ), আইসিবি ক্যাপিটেল ম্যানেজমেন্ট (৫৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা), পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কম্পানি (৫২ কোটি ৫৫ লাখ), টেলিটক (৬৪৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা), কেয়া কটন (৬৬ কোটি), ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ (দুই হাজার ৪৭৬ কোটি ৪৮ লাখ), বরকতউল্লাহ ইলেকট্রো ডায়নামিক (৬০ কোটি টাকা), ঢাকা রিজেন্সি হোটেল (৫০ কোটি), এলএসআই ইন্ডাস্ট্রিজ (৮২ কোটি), বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল্ (৬৭ কোটি ৩১ লাখ), ইনফরমেশন টেকনোলজি ৫৭ কোটি, ঢাকা সাংহাই (৬১ কোটি), সামিট পূর্বাঞ্চল (৫৭ কোটি), এনার্জি প্রিমা (৬০ কোটি), মার্কেন্টাইল ব্যাংক সিকিউরিটিজ (৬৫ কোটি), জিএমজি এয়ারলাইন্স (১৬৬ কোটি ৬৬ লাখ), শাহীবাজার পাওয়ার কম্পানি (৯৬ কোটি), জিপিএইচ ইস্পাত (৫০ কোটি), দেশবন্ধু সুগার মিলস (১০০ কোটি), এআইবিএল ক্যাপিটেল মার্কেট সার্ভিসেস (২০০ কোটি), লঙ্কাবাংলা সিকিউরিটিজ (৫৫ কোটি), ট্রাস্ট ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট (৩০০ কোটি), সোনালী ইনভেস্টমেন্ট (১০০ কোটি), প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট (৩০০ কোটি), বেলহাসা (১০০ কোটি), ইস্পাহানি ডিস্ট্রিবিউশন (২০০ কোটি) ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (৪০০ কোটি) টাকা।
source- কালের কন্ঠ

Read more...

Asian stocks lower amid hopes for Fed action

TOKYO, Oct 12 (AP): Asian stock markets fell Tuesday, but losses were limited as investors remained hopeful that the US Federal Reserve would take further action to bolster the US economy.

While Asian shares climbed earlier, investors turned cautious, taking a wait-and-see stance ahead of the release of corporate earnings this week from top US firms including Intel Corp, JP Morgan Chase & Co and General Electric Co.

Japan's benchmark Nikkei 225 stock index fell 84.49 points, or 0.9 per cent, to 9,504.39 in the morning session.

South Korea's Kospi slipped 1.2 per cent to 1,866.03. Australia's S&P/ASX 200 was down 1.3 per cent at 4,708.40.

Elsewhere, Hong Kong's Hang Seng index declined 0.2 per cent to 23,161.21. The Shanghai Composite Index shed 0.4 per cent to 2,795.85. Markets in New Zealand, Malaysia, Singapore and Taiwan all declined.

In New York overnight, the Dow Jones Industrial Average edged up 3.86 points, or 0.04 per cent, to close at 11,010.34 Monday.

Global stock markets have risen on expectations that the US central bank will introduce fresh measures to spur a recovery in the world's No 1 economy at the conclusion of its next rate-setting meeting on Nov 3.

The Fed is widely expected to announce its second round of so-called quantitative easing, which would involve the purchase of financial assets from banks in an attempt to further drive down rates on mortgages, corporate loans and other debt in a bid to bolster economic activity.

In currencies, the dollar rose to 82.13 yen from 82.05 yen in London late Monday. The euro fell to $1.3864 from $1.3890 in London.

Benchmark oil for November delivery lost 45 cents to settle at $82.21 a barrel Monday on the New York Mercantile Exchange.

Read more...

পরিচালকদের শেয়ার লেনদেনের তথ্য দেয়নি:ছয় কম্পানিকে নোটিশ দিয়েছে এসইসি

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কম্পানির পরিচালক বা স্পন্সরদের শেয়ার লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য জমা না দেওয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছয়টি কম্পানিকে সতর্ক নোটিশ পাঠিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। কম্পানিগুলো হলো_আশরাফ টেঙ্টাইল, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক, বিডি প্লান্টেশন, সজীব নিটওয়ার, কাশেম সিল্ক ও কাশেম টেঙ্টাইল। গতকাল এই ছয়টি কম্পানিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আরো তিন কম্পানিকে এ ধরনের সতর্ক নোটিশ পাঠানো হবে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কম্পানিকে প্রতি মাসের কম্পানির পরিচালক ও স্পন্সরদের শেয়ার বেচাকেনাসংক্রান্ত তথ্য-পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ তথ্যের কোনো পরিবর্তন না হলেও তা জানানোর জন্য পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রতিটি কম্পানির প্রতি এসইসির নির্দেশনা রয়েছে। এ প্রসঙ্গে এসইসির মুখপাত্রের দায়িত্ব পালনকারী নির্বাহী পরিচালক আনোয়ারুল কবির ভূইয়া গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রায় ৯টি কম্পানি গত আগস্টের পর থেকে পরিচালকদের শেয়ার লেনদেনসংক্রান্ত কোনো তথ্য এসইসিতে জমা দেয়নি। সে কারণে এসব কম্পানিকে সতর্কতা নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।

Read more...

বুকবিল্ডিং পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগে কমিটি গঠন

The Neatest Little Guide to Stock Market Investing, 2010 Editionপুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির প্রয়োগ সঠিকভাবে হয়েছে কি-না তা যাচাইয়ে ৪ সদস্যের আহবায়ক কমিটি গঠন করেছে সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। এসইসির নির্বাহি পরিচালক এটিএম তারিকুজ্জামানকে প্রধান করে গঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবং মার্চেন্ট ব্যাংক এসোসিয়েশনের সভাপতি আরিফ খান। রিপোর্ট  দেয়ার কোন সময় বেঁধে দেয়া না হলেও তা দ্রুত দিতে কমিটিকে বলা হয়েছে। এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাহি পরিচালক আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া ।
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সঠিকভাবে প্রয়োগ হয়েছে কিনা এবং এ পদ্ধতিতে দর নির্ধারনের ক্ষেত্রে কোন ধরনের কারসাজির আশ্রয় নেয়া হয়েছে কিনা সে বিষয়টি খতিয়ে দেখবে আহবায়ক কমিটি। এছাড়া কিভাবে বুকবিল্ডিং পদ্ধতি আরো গ্রহণযোগ্য করা যায় সে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে রিপোর্ট প্রদান করবে কমিটি। 
এর আগে গত ৯ জুন শেয়ারের নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে বিতর্কিত বুকবিল্ডিং পদ্ধতি সংশোধন করে এসইসি। নির্দেশক মূল্য নির্ধারণে কারসাজি প্রমাণিত হওয়ায় এ সংশোধন করা হয়। সংশোধন অনুযায়ী শেয়ারের প্রাথমিক দর নির্ধারণের জন্য সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির ৫টি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে সকল যোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীকে মূল্য নির্দেশের জন্য আহ্বান জানাতে হবে।
পাশাপাশি বিদ্যমান ব্যবস্থায় নির্দেশক মূল্য প্রস্তাবের প্রক্রিয়ায়ও পরিবর্তন আনা হয়। রোড-শো’র জন্য নির্ধারিত দিনে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নির্দেশক মূল্য গ্রহণ করা যাবে না বলে সংশোধনে উল্লেখ করা হয়। রোড-শো আয়োজনের পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে যোগ্য প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা এবং আর্থিক বিশ্লেষকের (ফাইন্যান্সিয়াল এনালিস্ট) যৌথ স্বাক্ষরে নির্দেশক মূল্যের প্রস্তাবনা পেশ করতে হবে। অংশগ্রহণকারী সকল প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবনার গড়ের ভিত্তিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় ৫টি মার্চেন্ট ব্যাংকসহ কমপক্ষে ১৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ না করলে পুনরায় নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের জন্য প্রস্তাব আহ্বান করতে হবে। এর আগে সর্বনিম্ন তিন ক্যাটাগরির মোট ৫টি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করলেই নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা যেতো।
২০০৯ সালে আইন প্রণয়নের এক বছর পর গত মার্চ মাস থেকে বুকবিল্ডিং পদ্ধতির বাস্তব প্রয়োগ শুরু হয়। ইতিমধ্যে ওশেন কন্টেইনার এবং খুলনা পাওয়ার এই পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণ করে সরাসরি তালিকাভুক্তির মাধ্যমে পুঁজিবাজারে শেয়ার বিক্রি শুরু করেছে। এছাড়া আরএকে সিরামিকস, মালেক স্পিনিং বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে মূল্য নির্ধারণের পর আইপিওতে লটারির মাধ্যমে বরাদ্দ প্রক্রিয়া শেষ করে। বুক বিল্ডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা এসব কোম্পানির শেয়ারের দর নিয়েই বাজার বিশ্লেষক ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর আগেই প্রতিটি কোম্পানির শেয়ার অতি মূল্যায়িত হয়েছে বলে তারা মনে করেন।
বুকবিল্ডিং পদ্ধতিতে নির্দেশক মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রেই কোম্পানিগুলো নিজেদের পছন্দ মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে অতিরিক্ত নির্দেশক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মূল্য নির্ধারণে সমঝোতার সুযোগ বন্ধের জন্যই বিধিমালা সংশোধন করা হয় বলে এসইসি সূত্রে জানা গেছে। এরপরও বিতর্ক সৃস্টি হওয়ায় এ পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগ নিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হলো।

Read more...

Asian shares end mostly lower, Shanghai surges 3.1pc

SINGAPORE, Oct 9 (Dow Jones): Asian stock markets were mostly lower Friday, though Chinese stocks delivered their best percentage gain in more than four months as several resource shares jumped by the 10 per cent daily limit in response to a recent rally in commodities as trading resumed after the week-long Golden Week holiday.

News that Moody's Investors Service is reviewing China's government bond rating for a possible upgrade boosted sentiment and also helped Hong Kong stocks finish higher. Still, overall trading in the region reflected caution ahead of the key US jobs report due later in the global day.

"The bigger picture continues to be dominated by caution and profit-taking ahead of Friday night's key nonfarm payrolls release...Friday night's release has bigger implications than usual.

It should help settle any conjecture over both the necessity and size of any expanded quantitative easing programme," said IG Markets' market strategist Ben Potter.

Japan's Nikkei Stock Average fell 1.0 per cent to 9,588.88, Australia's S&P/ASX 200 dropped 0.2 per cent, South Korea's Kospi shed 0.2 per cent, Taiwan's Taiex gave up 0.5 per cent and Hong Kong's Hang Seng Index tacked on 0.3 per cent.

In afternoon trading, India's Sensex fell 0.5 per cent and Singapore's Straits Times Index gave up 0.3 per cent. Dow Jones Industrial Average futures were down 18 points in screen trade.
China's Shanghai Composite added 3.1 per cent for its biggest percentage gain since May 24, while the Shenzhen Composite index advanced 2.8 per cent.

In a statement, Moody's cited "the resilient performance of the Chinese economy following the onset of the global financial crisis, and expectations of continued strong growth over the medium term."

Metal and coal producers jumped off the blocks, helping overcome the early weakness displayed by property developers in the wake of further tightening measures introduced by the Shanghai municipal government Thursday.

"The Moody's move suggests global markets turn increasingly positive about China's medium-term fundamentals, so it's a big positive for commodities and related currencies," Bank of America-Merrill Lynch China economist Ting Lu wrote.

"This move will be positive for Chinese corporates, especially banks, as their ratings will be raised accordingly," Lu added.

Jiangxi Copper and Yanzhou Coal Mining jumped by the 10 per cent daily limit in Shanghai, while Yunnan Copper and Tongling Nonferrous Metals did the same in Shenzhen.

Zijin Mining surged 12.4 per cent in Hong Kong as trading resumed after the company disclosed a smaller-than-expected fine over a toxic chemical leak at one of its copper plants in early July.

Zijin had been suspended since Monday. The stock rose 10 per cent in Shanghai.

Mainland property developers underperformed the broad markets in China and fell in Hong Kong on news of the Shanghai housing-market tightening. Shimao Property gave up 1.7 per cent and China Overseas Land dropped 0.5 per cent in Hong Kong. China Vanke rose 0.5 per cent in Shenzhen, while Gemdale rose 0.9 per cent in Shanghai.
Chinese wind-turbine maker Xinjiang Goldwind Science & Technology rose on its debut in Hong Kong, finishing at HK$19.06 ($2.44), compared with its initial public offering (IPO) price of HK$17.98.

In Tokyo, the strong yen continued to weigh on the market. Investors were also reluctant to take large positions ahead of the long weekend. Japan will be closed for a national holiday Monday.

Exporters remained under selling pressure, with Toshiba falling 2.1 per cent and Toyota Motor dropping 2.0 per cent. Panasonic jumped 3.4 per cent on news it had withdrawn a shelf registration to issue up to 500 billion yen ($6.1 billion) in new shares.

Seven & I Holdings lost 3.7 per cent following the retailer's disappointing earnings and forecasts released Thursday.

In Sydney, shares of BHP Billiton ended 0.1 per cent higher and Rio Tinto ended little changed, overcoming early weakness after the Moody's report on China.

Shinhan Financial Group dropped 1.8 per cent in Seoul after the Seoul Economic Daily reported that the country's financial watchdog planned to impose heavy disciplinary measures on the chairman and several executives for violating financial transaction regulations.

Among other markets, New Zealand's NZX-50 fell 0.1 per cent and Philippine stocks gave up 0.2 per cent. By late afternoon, Indonesian shares declined 1.2 per cent and Thailand's SET Index gave up 0.7 per cent.

In foreign exchange markets, the US dollar was fetching Y82.33, from Y82.40 late in New York Thursday. The euro was at $1.3907 from $1.3912 and at Y114.50 from Y114.65.

"Looking ahead, the coming few days are jam-packed with event risk," said Mike Jones, currency strategist at the Bank of New Zealand. "Given the importance of the labour market to the US economic outlook, the US jobs data could have clear implications for whether the Fed is required to undertake additional monetary easing, and hence sentiment towards the US dollar," Jones said.
Finance ministers from the Group of Seven (G7) countries are also preparing to meet in Washington later, and traders expect some discussion on currency markets following recent sharp falls in the dollar and intervention by several countries to weaken their currencies.

"The global forex conundrum is morphing into a trade dilemma of sorts.

Investors need to stay bullish and hedged, in our opinion," said Richard Hastings, macro and consumer strategist at Global Hunter Securities.

Japanese government bond futures advanced, with lead December futures up 0.10 at 143.95 points and the 10-year JGB yield adding 0.5 basis point to 0.870 per cent.

Spot gold was at $1,343.90 per troy ounce, down $5.20 from Thursday's New York close. November Nymex crude oil futures were down 68 cents at $80.99 per barrel on Globex.

Read more...

ব্যাংকগুলোর অলস অর্থ কমছে:সিংহভাগ যাচ্ছে শেয়ারবাজারে

ব্যাংকগুলোতে উদ্বৃত্ত তারল্যের (অবিনিয়োগকৃত তারল্য বা অলস অর্থ) পরিমাণ কমছে। গত অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ব্যাংকগুলোতে সব মিলিয়ে অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ ছিল ৩৪ হাজার ৪৯৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। জুলাইয়ে ছিল ৩৩ হাজার ১২৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। আগস্ট শেষে তা কমে ২৯ হাজার ৯০০ কোটি ৮১ লাখ টাকায় নেমে এসেছে। বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এই তারল্য একপর্যায়ে ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, দেশে বিনিয়োগ বাড়ার কারণে ব্যাংকগুলোড উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ কমছে। ভবিষ্যতে এ তারল্যের পরিমাণ আরো কমে আসবে বলে আভাস দিয়েছেন তাঁরা। তবে এ বিনিয়োগের পুরোটা উৎপাদনশীল বা শিল্প খাতে যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যথাযথ মনিটরের অভাবে একটি সিংহভাগ অর্থ শেয়ারবাজারে চলে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত জুনে সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোয় অবিনিয়োগকৃত তারল্যের পরিমাণ ছিল ১৫ হাজার ২৬৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আগস্টে তা কমে ১২ হাজার ৭৩৭ কোটি ৪২ লাখ টাকায় নেমে এসেছে। বেসরকারি খাতের সাধারণ ব্যাংকগুলোতে আগস্ট শেষে অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮২৬ কোটি ৯১ লাখ টাকা। জুন শেষে ছিল ৯ হাজার ৮২০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। বেসরকারি ইসলামী ব্যাংকগুলোতে জুনে উদ্বৃত্ত তারল্যের পরিমাণ ছিল চার হাজার ২৮৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা। আগস্টে তা কমে তিন হাজার ৮৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বিদেশি ব্যাংকগুলোয় আগস্ট শেষে অবিনিয়োগকৃত তারল্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৩৬৭ কোটি ১০ লাখ টাকা। জুনে ছিল চার হাজার ৫১৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা। বিশেষায়িত ব্যাংক বেসিক ব্যাংকে জুনে অতিরিক্ত তারল্যের পরিমাণ ছিল ৬০৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা। আগস্টে তা কমে মাত্র ৮৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকায় নেমে এসেছে।
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুর্নীতি, অবৈধ স্থাপনা, কর ফাঁকিসহ নানা ধরনের অভিযানের কারণে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে স্থবিরতা নেমে আসে। দুর্নীতির অভিযোগে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের কারাগারে পাঠানো হয়। সে সময় নতুন বিনিয়োগ তো দূরের কথা, বড় বড় অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কর্মকাণ্ডও বন্ধ হয়ে যায়। বিনিয়োগ না হওয়ায় ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার (অতিরিক্ত তারল্য) পাহাড় জমে যায়। ওই সময় একপর্যায়ে ব্যাংকগুলোতে অলস অর্থের পরিমাণ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করে। ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা জেল থেকে বেরিয়ে আসেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে আবার মনোনিবেশ করেন। সবার মধ্যে আস্থা ফিরে আসতে শুরু করে। বিনিয়োগও আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে।
তবে এ বিনিয়োগের পুরোটা উৎপাদনশীল বা শিল্প খাতে হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অর্থনীতিবিদ মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। গতকাল সন্ধ্যায় তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এ কথা ঠিক যে, দেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে স্থবিরতা ছিল তা ধীরে ধীরে কেটে যাচ্ছে। শিল্প স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় মূল্যধনী যন্ত্রপাতি আমদানি বেড়েছে। ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের মধ্যে আস্থা ফিরে এসেছে। এ কারণে ব্যাংকগুলোতে পড়ে থাকা অবিনিয়োগকৃত তারল্যের পরিমাণও কমছে। তবে এ অর্থের একটি সিংগভাগ অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হচ্ছে বলে আমার মনে হচ্ছে। আর এ কারণেই সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই শেয়ারের দাম হু হু করে বাড়ছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মনিটর করা উচিত বলে আমি মনে করি।' তিনি বলেন, 'ইদানীং ব্যাংকগুলো যে ঋণ বিতরণ করছে, তা ঠিকমতো তদারকি করা হচ্ছে না। এমনও দেখা গেছে, অনেকে শিল্প স্থাপনের জন্য ঋণ নিয়ে সেই টাকা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছে। আর এ কারণে গত ছয় মাসের হিসাবে দেখা গেছে শিল্প ঋণ বাড়লেও শিল্প খাতের উৎপাদন বাড়ছে না।' এসব বিষয় বিবেচনায় রেখে ব্যাংকগুলোর বিতরণ করা ঋণ কেন্দ্রীয় ব্যাংককে কঠোরভাবে মনিটর করার পরামর্শ দিয়েছেন ফরাসউদ্দিন। তিনি বলেন, গত কয়েক মাসে ব্যাংকগুলো বিপুল অঙ্কের অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করেছে। এতে মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গেছে। এ ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, সে ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্ক থাকতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) শিল্প স্থাপনের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় মূলধনী যন্ত্রপাতি (ক্যাপিটাল মেশিনারি) আমদানির জন্য এলসি খোলার পরিমাণ গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৯৭ দশমিক ১৬ শতাংশ বেড়েছে। ২০০৯-১০ অর্থবছরে জুলাই-আগস্ট সময়ে আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি ২২ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমেছিল।

Read more...

সরবরাহ না বাড়ালে বিপর্যয়ের আশঙ্কা শেয়ারবাজারে

শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের নেতারা। তাঁরা সরকার ও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, চাহিদা ও সরবরাহের ব্যাপক ঘাটতির মধ্যে বাজারের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। আর যদি সে ধরনের কোনো ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তার কোনো দায়দায়িত্ব স্টক এক্সচেঞ্জ কর্তৃপক্ষ নেবে না। বিপর্যয়ের দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। সেই সঙ্গে বাজারে শেয়ার সরবরাহ বাড়াতে বহুল আলোচিত সরকারি মালিকানাধীন ২৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দ্রুত বাজারে আনতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন দুই স্টক এক্সচেঞ্জের নেতারা।
গতকাল শনিবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সেচেঞ্জের (ডিএসই-সিএসই) যৌথ এক সংবাদ সম্মেলনে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর মতিঝিলের পূর্বাণী হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শেয়ারবাজারের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী ও সিএসই সভাপতি ফখরুদ্দিন আলী আহম্মদ। এ সময় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের একাধিক পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাজারের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে দ্রুততার সঙ্গে শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়। আর এ জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন নেতারা। সিএসই সভাপতি বলেন, বারবার ঘোষণা দেওয়ার পর অজানা কারণে সরকারি ২৬ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এখনো বাজারে আসছে না। কাদের স্বার্থ সংরক্ষণে এসব কম্পানির শেয়ার বাজারে ছাড়া হচ্ছে না, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। ওইসব কম্পানির শেয়ার ছাড়ার ব্যাপারে এখন প্রধানমন্ত্রীকেই উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে চাহিদা ও সরবরাহ ঘাটতি কাটবে না। এই ঘাটতি না কমলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়বে বাজার। যার দায়দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে।
ডিএসই সভাপতি শাকিল রিজভী সরবরাহ বাড়াতে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তালিকাভুক্ত সরকারি কম্পানির ৪৯ শতাংশ শেয়ার বাজারে ছাড়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে নতুন কম্পানি গঠনের মাধ্যমে বাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বিনিয়োগকারীদেরও সতর্ক করে দিয়েছেন দুই সংস্থার নেতারা। তাঁরা বলেছেন, সম্প্রতি বিনিয়োগ অনুপযোগী শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের অতি আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর ফলে পে-আউট বা রিটার্ন নেই এমন শেয়ারের দামও হু হু করে বাড়ছে। এ অবস্থায় সম্ভাব্য লোকসানের দায় বিনিয়োগকারীকেই বহন করতে হবে। কোনো বিনিয়োগকারীর ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের দায় ডিএসই-সিএসই নেবে না। এ কারণে বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগ করা অর্থের প্রথম রেগুলেটর তাকেই হতে হবে। বিনিয়োগের আগে অতিমাত্রায় সতর্ক থাকতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা।
সংবাদ সম্মেলনে স্টক এক্সেচেঞ্জের নেতারা বলেন, মৌলভিত্তির বা ভালো কম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ার ফলে সূচক বাড়লে তা নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে শেয়ারের মূল্য আয়ের অনুপাত (পিই রেশিও)। বর্তমানে বাজারে তালিকাভুক্ত এমন অনেক কম্পানি রয়েছে যেগুলোর পিই রেশিও ৭০-৮০ এর ওপরে, যা কখনোই স্থায়ী হবে না। এসব খাতে বিনিয়োগের ধারা অব্যাহত থাকলে বাজারে বিপর্যয় নেমে আসবে।
এদিকে শেয়ারের সরবরাহ সংকটের সুযোগে নামসর্বস্ব কোনো কম্পানি যাতে বাজারে আসতে না পারে, সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন ডিএসই ও সিএসই নেতারা। শাকিল রিজভী বলেন, '১৯৯৬ সালে অনেক বাজে কম্পানি বাজারে চলে এসেছিল। যেগুলো বর্তমানে জেড গ্রুপে আছে। সেসব কম্পানিকে যারা বাজারে নিয়ে এসেছিল বা ইস্যু ব্যবস্থাপনার কাজে যুক্ত ছিল, তাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা দরকার।' সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, বর্তমান বাজারে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ খুবই দরকার। বাজার নিয়ন্ত্রণে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সেচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) যেসব সিদ্ধান্ত নেবে তা সবাইকে পরিপালন করতে হবে। নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে কোনো অবস্থাতেই চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলা যাবে না। এসইসির কর্মকাণ্ড চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লে তাতে দেশের অর্থনীতি, বিনিয়োগকারী সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। প্রতিষ্ঠানটিকে যত মর্যাদার জায়গায় রাখা যাবে, ততই বিনিয়োগকারীর স্বার্থ সুরক্ষিত হবে। বাজারের স্বার্থে নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরো জোরদার করতে এসইসির লোকবল সংকট দূর করতে সরকারের কাছে আহ্বান জানান ডিএসই ও সিএসই নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে ওটিসি মার্কেটের লেনদেনকে সহজ করতে এটির আইনি কাঠামোর পরিবর্তন ও বন্ড মার্কেটকে জনপ্রিয় করারও সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া শেয়ারবাজারে পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন এবং কম্পানি তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে নূ্যনতম ৪০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের শর্ত শিথিলের দাবি জানিয়েছেন দুই স্টক এক্সেচেঞ্জের নেতারা। 

Read more...

Asian shares mostly lower, Japan up after rate cut

BANGKOK, Oct 5 (AP): Weak US economic indicators sent most Asian stock markets lower Tuesday but Japanese shares climbed after the central bank cut its key interest rate to effectively zero.

Oil prices held above $81 a barrel as traders looked for a new catalyst to extend last week's rally amid weak regional stock markets. The dollar rose against the yen but fell against the euro.

Japan's Nikkei 225 stock average rose out of negative territory after the Bank of Japan (BoJ) cut its key interest rate to range of zero to 0.1 per cent, hoping to boost a faltering recovery and deflate the strong yen. The index was up 112.13 points, or 1.2 per cent, at 9,493.19.

Elsewhere, traders were refraining from major moves ahead of some potentially important events for stocks, including Friday's US monthly jobs survey and earnings Thursday from Dow industrials component Alcoa Inc, which traditionally kicks off the quarterly earnings season.

Hong Kong's Hang Seng index was down 0.4 per cent to 22,529.07 and South Korea's Kospi dropped 0.3 per cent to 1,873.50. Australia's S&P/ASX 200 was down 0.3 per cent to 4,612.00 following the Reserve Bank of Australia's decision to leave its main interest rate unchanged.

Analysts said Wall Street provided the main drag on the region's stocks amid weak economic indicators.

"Overall the market is still pretty flat," said Jackson Wong, vice president of Tanrich Securities in Hong Kong. "Negative sentiment from the US provided an excuse for investors to take profits."

Wong also said that the dollar's rebound - Monday it rose from a six-month low against the euro - led investors to avoid riskier assets like stocks and seek out the safety of the greenback.

The Australian central bank's decision also helped renew interest in the US dollar, Wong said. Markets had expected the central bank to hike its main interest rate, which would have made Australian dollar assets like bonds or deposits relatively more attractive.

In New York Monday, the Dow Jones industrial average fell 0.7 per cent to close at 10,751.27. The index lost nearly 80 points after factory orders fell 0.5 per cent in August - slightly more than expected - and contracts for new homes remained far below last year's pace.

The broader Standard & Poor's 500 index fell 0.8 per cent to 1,137.03, and the Nasdaq composite index shed 1.1 per cent to 2,344.52.

In currencies, the dollar rose to 83.86 yen from 83.59 yen late Monday in New York. The euro rose to $1.3705 from $1.3665.

Benchmark oil for November delivery was up 8 cents to $81.55 a barrel at midday Singapore time in electronic trading on the New York Mercantile Exchange. The contract lost 11 cents to settle at $81.47 Monday.

Earlier Monday, it rose to $82.38, the highest level since Aug 6.

Read more...

বড় আইপিও নিয়ে আসছে মবিল যমুনা

গ্রামীণফোনের পর দেশের শেয়ারবাজারে সবচেয়ে বড় প্রাথমিক গণপ্রস্তাব বা আইপিও নিয়ে আসছে মবিল যমুনা এমজিএল বাংলাদেশ লিমিটেড। কম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে চার কোটি শেয়ার ছেড়ে বাজার থেকে ৫০৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। গতকাল রবিবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কম্পানিটির শেয়ার ছাড়ার আবেদন অনুমোদন করেছে। সভা শেষে এসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আনোয়ারুল কবীর ভূঁইয়া এই অনুমোদনের কথা জানান।
তিনি জানান, যমুনা মবিলের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি শেয়ারের নির্দেশক দাম ঠিক করা হয়েছে ১২৭ টাকা। বুক বিল্ডিং পদ্ধতির নিয়ম অনুযায়ী, নির্দেশক দামের ভিত্তিতে প্রথমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা শেয়ারের দরপ্রস্তাবে অংশ নেবে। সেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্দেশক দামের ২০ শতাংশ কম-বেশি হারে সর্বোচ্চ ১৫২ টাকা ৪০ পয়সা এবং সর্বনিম্ন ১০১ টাকা ৬০ পয়সায় শেয়ার কেনার প্রস্তাব জমা দিতে পারবে। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য নির্ধারিত শেয়ার সর্বনিম্ন যে দামে বিক্রি সম্পন্ন হবে সেটিই হবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য শেয়ারের ক্রয়মূল্য।
এসইসি সূত্র জানায়, ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর প্রাইভেট লিমিটেড কম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে মবিল যমুনা। ৯৯ সালের মে মাসে সেটি বাণিজ্যিক উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে। ২০০৯ সালে এসে এটি পাবলিক লিমিটেড কম্পানিতে পরিণত হয়।
কম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৪ কোটি তিন লাখ ২০ হাজার। এরমধ্যে ২৫ শতাংশ বা প্রায় সাড়ে তিন কোটি শেয়ার রয়েছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েলের হাতে। ইস্টকোস্ট গ্রুপের মালিকানাধীন ইসি সিকিউরিটিজ লিমিটেডের হাতে রয়েছে ৭৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ বা ১০ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার শেয়ার। বাকি শেয়ারের মধ্যে আজম জে চৌধুরী, মেরিনা ইয়াসমীন চৌধুরী, তানজিল চৌধুরী, দিলরুবা চৌধুরী ও পার্কসাইন প্রোডাক্ট লিমিটেডের কাছে যথাক্রমে চার হাজার করে শেয়ার রয়েছে।
এসইসি সূত্র জানায়, বাজার থেকে সংগৃহীত টাকায় কম্পানিটি খুলনায় লিকুফাইড পেট্রলিয়াম গ্যাস ইউনিটসহ ব্যবসা সম্প্রসারণ কাজের পাশাপাশি জমি ও করপোরেট অফিস তৈরিতে খরচ করা হবে। কম্পানিটির বর্তমান পরিশোধিত মূলধন প্রায় ১৪০ কোটি টাকা।
জানা গেছে, বুক বিল্ডিংয়ের নিয়ম অনুযায়ী, মবিল যমুনার আইপিও প্রস্তাবের চার কোটি শেয়ারের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে ৬০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ এবং প্রবাসী বাংলাদেশি ও মিউচুয়াল ফান্ডের জন্য ১০ শতাংশ করে শেয়ার বরাদ্দ থাকবে।
প্রাইম ফিন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড কম্পানিটির শেয়ারের ইস্যু ব্যবস্থাপনার কাজ করছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে কম্পানিটি ১২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা মুনাফা করেছে। গ্রামীণফোনের পর এটিই সবচেয়ে বড় আকারের আইপিও।
২০০৯ সালের বাজারে আসা গ্রামীণফোন সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য আইপিওতে ছয় কোটি ৯৪ লাখ শেয়ার ছেড়েছিল। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা। তার সঙ্গে ৬০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ার বিক্রি করা হয় ৭০ টাকা দরে। আর মবিল যমুনা বাজারে ছাড়ছে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের চার কোটি শেয়ার।
ডিএসই সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশের ২৪৩টি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কম্পানির মধ্যে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আছে ১১টি কম্পানি। নতুন এই কম্পানিটি তালিকাভুক্ত হলে এ খাতের কম্পানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১৩টিতে।

Read more...

শেয়ারবাজারে পাঁচ রেকর্ড

দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জে (ডিএসই) গতকাল পাঁচটি নতুন রেকর্ড হয়েছে। সাধারণ সূচক, সার্বিক সূচক, লেনদেন, লেনদেনকৃত শেয়ারসংখ্যা ও মূলধনের এ রেকর্ড হয়েছে। বাজারবিশ্লেষকদের মতে, এ রেকর্ডে কারণ ছিল মামলার খবর ও গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর বৃদ্ধি।
গতকাল দিনের শুরুতে পুঁজিবাজরের প্রধান খবর ছিল হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে এসইসির আপিলের শুনানি হবে আজই (গতকাল)। কিন্তু দুপুর ১২টার আগেই খবর রটে যায় আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতের কার্যতালিকায় এসইসির লিভ টু আপিল আবেদন নেই। এ খবরে চাঙ্গা হয়ে ওঠে পুঁজিবাজার। গতকাল চেম্বার জজ আদালতে এ মামলাটি কার্যতালিকাভুক্ত করা হয়নি। তবে এ মামলার শুনানির জন্য রিট আবেদনকারীর আইনজীবীদের কাছে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এদিকে এ মামলার খবরের সঙ্গে যুক্ত হয় পুঁজিবাজারের সর্ববৃহৎ কম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারের দর বৃদ্ধি। গতকাল এক দিনে এ কম্পানির শেয়ারের দর বেড়েছে ১২ টাকা বা ৪.৪৩ শতাংশ। এর লেনদেন শুরু হয় ২৩৮ দশমিক ১০ টাকা দিয়ে। শেষ হয় ২৫০ টাকায়। এর ফলে শুধু গ্রামীণফোনের কারণে সূচক বাড়ে ৪২ পয়েন্ট।
গতকাল সাধারণ মূল্যসূচকের নতুন রেকর্ড হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে ১২৬ পয়েন্ট বেড়ে গতকাল ৭২২৩.৪৮ পয়েন্টে স্থির হয়। আগের দিন বৃহস্পতিবার সাধারণ মূল্যসূচক ছিল ৭০৯৭.৩৮ পয়েন্ট। গতকাল লেনদেনেও নতুন রেকর্ড হয়েছে। লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৪৮৯ কোটি ২১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর আগে গত ১৬ জুন লেনদেনের সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছিল। সেদিন লেনদেনের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪৮৬ কোটি চার লাখ ৩৭ হাজার টাকা। রেকর্ড হয়েছে লেনদেনকৃত শেয়ারসংখ্যায়। গতকাল শেয়ার দুই লাখ ৯৯ হাজার ২২২ বার লেনদেন হয়েছে। আগের দিন এ সংখ্যা ছিল দুই লাখ ৮৪ হাজার ৬৪৯ বার। ডিএসইর সার্বিক সূচক আগের দিনের চেয়ে ১০০ পয়েন্ট বেড়ে গতকাল ৬০৩১.৪৭ পয়েন্টের নতুন রেকর্ড হয়েছে। বাজার মূলধনেও গতকাল নতুন রেকর্ড হয়েছে। গতকালের রেকর্ড বাজার মূলধনের পরিমাণ ছিল তিন লাখ ১৬ হাজার ৩৫৫ কোটি ৬৪ লাখ ৭২ হাজার ৭৪৭ টাকা। আগের দিন এ রেকর্ড ছিল তিন লাখ ১১ হাজার ৩২৩ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গতকাল ব্যাংক খাতের ৩০ কম্পানির মধ্যে ১৪টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, কমেছে ১৪টির। দুটির দাম অপরিবর্তিত থেকেছে। আর্থর্িক প্রতিষ্ঠানের ২১টি কম্পানির মধ্যে ২০টি দর বেড়েছে। বীমা খাতের ৪৪টি কম্পানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৪৩টির। এ ছাড়া দর বৃদ্ধির ধারায় ছিল বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, বস্ত্র, সিমেন্ট ও সিরামিক খাত। বিপরীতে দর কমেছে ওষুধ ও রসায়ন, আইটি খাত ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের। গতকালের বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে আইডিএলসি ব্রোকারেজ হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুদ্দিন কালের কণ্ঠকে বলেন, বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার প্রধান কারণ ছিল মামলার খবর। এ ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বীমা খাতের বিভিন্ন কম্পানির রাইট বা লভ্যাংশ ঘোষণার খবরেও এ খাতের কম্পানিগুলো চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
এদিকে গতকাল থেকে ২৫ কম্পানিকে ডিএসইর মূল মার্কেট থেকে তালিকাচ্যুত করে ওটিসি মার্কেটে পাঠানো হয়েছে। এসব কম্পানির একটিরও কোনো লেনদেন হয়নি। এ ছাড়া রেকর্ড ডেট থাকার কারণে আরো কয়েকটি কম্পানির লেনদেন স্থগিত ছিল। এর ফলে আগের দিনের লেনদেনকৃত কম্পানির সংখ্যা ২৭৬ থেকে কমে গতকাল ২৪৪টিতে দাঁড়িয়েছিল। এ ২৪৪টি কম্পানির মধ্যে গতকাল দাম বেড়েছে ১৬০টির, কমেছে ৭৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি কম্পানির শেয়ার।
লেনদেনের ভিত্তিতে গতকালের শীর্ষ ১০ কম্পানি হলো_বিএসআরএম স্টিল, পিপলস্ লিজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড, কর্ণফুলী ইনস্যুরেন্স, প্রাইম ফাইন্যান্স, পাওয়ার গ্রিড লিমিটেড, ডেসকো লিমিটেড, বেঙ্মিকো লিমিটেড, তিতাস গ্যাস, স্কয়ার ফার্মা ও উত্তরা ফিন্যান্স লিমিটেড।
অন্যদিকে দর বৃদ্ধিতে প্রধান ১০ কম্পানি হলো_কর্ণফুলী ইনস্যুরেন্স, পাইওনিয়ার ইনস্যুরেন্স, বিডি ফাইন্যান্স, সিটি জেনারেল ইনস্যুরেন্স, রিলায়েন্স ইনস্যুরেন্স, স্ট্যান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স, নিটোল ইনস্যুরেন্স, আইপিডিসি, অগ্রণী ইনস্যুরেন্স ও এশিয়া প্যাসেফিক ইনস্যুরেন্স। দাম কমার শীর্ষে প্রধান ১০ কম্পানি হলো_আল আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, মুন্নু ফেবিঙ্, ঢাকা ফিশারিজ, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, চিটাগাং ভেজিটেবল, মিরাক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ, তাল্লু স্পিনিং, দেশ গার্মেন্ট, সাভার রিফেক্টরিজ ও আনোয়ার গ্যালভানাইজিং।

Read more...

কাগুজে শেয়ারমুক্ত দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ড

লেনদেন, সূচক, বাজার মূলধনের নতুন রেকর্ডের পাশাপাশি দেশের শেয়ারবাজারে নতুন আরেকটি রেকর্ড হয়েছে গতকাল। গতকাল থেকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ডে কোনো কাগুজে শেয়ার লেনদেন হয়নি। মূল বোর্ডে রয়েছে শুধু ইলেকট্রনিক শেয়ারধারী কম্পানিগুলো। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) সিদ্ধান্তের কারণে শেয়ারবাজারে অনন্য এ রেকর্ড হয়েছে।
এসইসি কাগুজে শেয়ারকে ইলেকট্রনিক শেয়ারে রূপান্তরের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়। ওই সময়ের মধ্যে ২৫টি কম্পানি কাগুজে শেয়ারকে ইলেকট্রনিক শেয়ারে রূপান্তরে ব্যর্থ হয়। এ ব্যর্থতার দায়ে ওই ২৫ কম্পানিকে তালিকাচ্যুত করতে ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয় এসইসি। এসইসির নির্দেশে ডিএসই গতকাল থেকে ওই ২৫ কম্পানিকে তালিকাচ্যুত করে ওভার দ্য কাউন্টার বা ওটিসি বাজারে পাঠিয়ে দেয়। আর এ তালিকাচ্যুতির মাধ্যমে কাগুজে শেয়ারমুক্ত হয় দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ড।
বলা হয়ে থাকে, ১৯৯৬ সালে কাগুজে শেয়ারের কারণেই দেশের শেয়ারবাজারে মহাকেলেঙ্কারি ঘটানো সম্ভব হয়েছিল। সে কারণে ১৯৯৬ সালের পর কাগুজে শেয়ারের পরিবর্তে ইলেকট্রনিক শেয়ার লেনদেনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এজন্য গঠন করা হয় সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএল। সিডিবিএল প্রতিষ্ঠার পর শুরু হয় ইলেকট্রনিক শেয়ারের যুগ।
কাগুজে শেয়ারকে স্টক এক্সচেঞ্জের মূল বোর্ড থেকে সরিয়ে দেওয়ার ফলে বর্তমানে ডিএসইতে তালিকাভুক্ত ইলেকট্রনিক শেয়ারধারী কম্পানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২১টিতে।

Read more...

Asian stocks rise amid hopes Fed to act on economy

BANGKOK, Sept 29 (AP): Asian stock markets mostly climbed Wednesday, supported by growing speculation that the Federal Reserve is likely to introduce more measures to support the US economy, a key market for Asian exporters.

Japan's benchmark Nikkei 225 stock average rose 63.62 points, or 0.7 per cent, to 9,559.38. Sentiment was upbeat in Tokyo as a key central bank survey of business confidence at major Japanese manufacturers improved for the sixth straight quarter. But companies also signalled they are anxious about the future amid cooling global growth and a strong yen.

The Bank of Japan's quarterly "tankan" survey showed that the main index for large manufacturers stood at 8, up from 1 three months ago.

In Hong Kong, the Hang Seng Index gained 298.81 points, or 1.4 per cent, to 22,408.76 while South Korea's Kospi increased 10.48, or 0.6 per cent, to 1,866.45. Markets in Singapore, Taiwan and Indonesia also climbed.

Australia's S&P/ASX 200 index closed down 0.5 per cent at 4,645.00 and the Shanghai Composite Index retreated less than 0.1 per cent to 2,610.68.

In New York overnight, the Dow Jones industrial average gained 46.10 points, or 0.4 per cent, to 10,858.14 despite a slump in US consumer confidence.
A monthly survey showed Tuesday that US consumer confidence in September dropped to its lowest level since February. Economists closely monitor the confidence survey as consumer spending alone accounts for about 70 per cent of US economic activity.

The weak confidence result sparked market speculation that the Fed might announce further stimulus measures at the end of a Nov 2-3 meeting in a bid to shore up the recovery in the US economy.

In currencies, the dollar fell to 83.57 yen from 83.85 yen late Tuesday in New York. The euro rose to $1.3621 from $1.3574.

Benchmark crude for November delivery was up 49 cents at $76.67 a barrel in electronic trading on the New York Mercantile Exchange. The contract lost 34 cents to settle at $76.18 Tuesday.

Read more...

About This Blog

blog's content all of my personal view and analysis, i don't responsibility any circumstance

Blog Archive

  © Blogger template Digi-digi by Ourblogtemplates.com 2008

Back to TOP